• সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১

ধনী-সুদর্শন পুরুষই নাকি পছন্দ নারীদের!

সামনেই শীত, আসছে বিয়ের মৌসুম। এবার যারা বিয়ে করার কথা ভাবছেন, শুধু কেমন কেমন বউ চান না ভেবে, নিজের মধ্যে গুণগুলো আছে নাকি মিলিয়ে নিন। কারণ, আমরা অনেক সময় মনে করি নারীরা ধনী, লম্বা- সুদর্শন পুরুষ পছন্দ করে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে পুরুষের শারীরিক সৌন্দর্য থেকে নারীকে বেশি আকৃষ্ট করে তাদের `পুরুষালী` গুণাবলী। পুরুষকেও জানতে হবে কোন বিষয়গুলো নারীর কাছে আপনাকে আকর্ষণীয় করে তুলতে পারে:

পরিপাটি, পরিচ্ছন্নতা: হ্যাঁ, আপনি হয়ত অনেক লম্বা কিন্তু উচ্চতা সত্যিই নিজেকে উপস্থাপন করার গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর না। মূল বিষয় হচ্ছে নারী লক্ষ করে আপনি নিজের বিষয়ে কতোটা সচেতন। আপনাকে যথেষ্ট সতর্ক থাকতে হবে প্রথম দেখা করার সময়। হতে হবে নিজের প্রতি যত্নশীল, মনে রাখবেন এলোমেলো চুল, নোংরা নখ, দুর্গন্ধযুক্ত মোজা, কালি ছাড়া জুতা, শার্ট বা জিন্সে দাগ এসব কিছুই হতে পারে আপনাকে অপছন্দ করার অন্যতম কারণ।

সেন্স অব স্টাইল: খুব দামী কাপড় পরে নারীর সামনে যেতে হবে এমন কোনো কথা নেই। তবে, পোশাকটি অবশ্যই ফ্যাশনেবল এবং আধুনিক ডিজাইনের হতে হবে। সেই সঙ্গে লক্ষ্য রাখতে হবে, যেন পোশাকে আপনি সাবলিল থাকতে পারেন এবং এতে আপনার ব্যক্তিত্বের প্রকাশ ঘটে।

সেন্স অব হিউমার: নারীর গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হল যে তারা পুরুষের বিচারবুদ্ধি সম্পন্ন রসবোধের বিষয়টি উপভোগ করে। কিন্তু মজা করতে গিয়ে যেন এমন কিছু বলা বা করা যাবে না যা অন্যকে উপহাস করে বা ভদ্রতার সীমা ছাড়িয়ে যায়।

কেয়ারিং: ধরুন রাস্তা পার হচ্ছেন। আপনার দায়িত্ব হচ্ছে নারী সঙ্গীটিকে নিরাপদে রাস্তা পার হতে সাহায্য করা। কখনোই তাকে পেছনে ফেলে নিজে এগিয়ে যাবেন না। কোন জায়গায় ঘুরতে যাবেন বা কী খাবেন সব বিষয়েই তার পছন্দের গুরুত্ব দিন। মনে রাখবেন নারীরা গুরুত্ব পেতে ভালোবাসে।

READ  মানুষের নিষ্ঠুরতায় হারিয়ে যাচ্ছে 'বাবুই পাখি'

মুগ্ধতা: নারী সঙ্গীর প্রতি মুগ্ধতা দেখান। বাইরে যাওয়ার সময় তার সাজের প্রশংসা করুন। নারী সঙ্গীর দেওয়া উপহার সানন্দে গ্রহণ করুন। তার রান্নার প্রশংসা করুন। কখনো যদি পছন্দ মতো নাও হয়, কোনো ভাবেই বিরক্তি প্রকাশ করা যাবে না। মনে রাখবেন অনেক আন্তরিকতা নিয়ে কষ্ট করে শুধু আপনাকে খুশি করার জন্যই সে এতো সব করেছে। তার সাথে দেখা হলে প্রথমেই মিষ্টি করে হাসুন।

শান্ত থাকা: অনেক পুরুষের বৈশিষ্ট হচ্ছে তারা খুব অল্পতেই ক্ষিপ্ত হয়ে যায়। কিন্তু খুব সহজেই আবার রাগ কমে যায়। পুরুষের কাজ হবে, কিছুটা সময় শান্ত থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং শান্তিপূর্ণ রাখা। নারীরাও আজকাল রাগী, আক্রমণাত্বক সঙ্গী পছন্দ করে না। রাগ করার মতো সুনির্দিষ্ট কারণ থাকলে আপনি নারী সঙ্গীকে শান্তভাবে বুঝিয়ে বলুন।

সম্মান: নারীকে সম্মান করতে হবে। অনেকের মাঝে নারীকে হেয় করে কথা বলার প্রবণতা দেখা যায়। তবে নারীও মানুষ সে পুরুষের সমান গুরুত্ব এবং সম্মান পাওয়ার অধীকার রাখে।

ওপরের বিষয়গুলো মেনে চললেই কাঙ্ক্ষিত নারীর কাছে আপনি হয়ে উঠবেন অনেকের মাঝে অনন্য।

admin

Read Previous

অবশেষে ঠিক হলো বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ

Read Next

শেখ মুজিবুর রহমান শুধু একটি নাম নয়, একটি ইতিহাস: রাষ্ট্রপতি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *