• সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১

মার্চ-এপ্রিলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হতে পারে: প্রধানমন্ত্রী

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে এখনই কোন সিদ্ধান্তে আসছে না সরকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, ফেব্রুয়ারি মাস করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে আগামী মার্চ বা এপ্রিলে সীমিত পরিসরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হতে পারে। এছাড়া, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট সবাইকে দ্রুত ভ্যাকসিনেশন কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসা হবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

শনিবার (৩০ জানুয়ারি) বেলা পৌনে ১১টায় এইচএসসির ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে অনলাইনে যুক্ত হয়ে ফল প্রকাশের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, অসহায় পরিস্থিতির কারণে পরীক্ষা ছাড়ায় ফল ঘোষণা করতে হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী এভাবে ফল প্রকাশ করা হয়েছে।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ হয়েছে বলেই ঘরে বসে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারছে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও ক্লাস চলেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখায় অনেকেই সরকারের সমালোচনা করছেন। কিন্তু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরাসরি পরীক্ষা নেওয়ার ফলে কোনো শিক্ষার্থী যদি সংক্রমিত হয়, তার দায় কী সমালোচনাকারীরা নেবেন? নিশ্চয়ই নেবেন না। তখন তারা ভিন্ন পন্থা অবলম্বন করতেন। তারা শুধু অহেতুক সমালোচনাই করতে পারেন, কিন্তু পরিস্থিতি অনুযায়ী কার্যকর কোন সিদ্ধান্ত দিতে পারেন না।’

অটোপাস দেওয়ার বিষয়েও ব্যাখ্যা দেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, অনেকে পরীক্ষা ছাড়া অটোপাস পদ্ধতি নিয়ে অনেকরকম কথা বলার চেষ্টা করছেন। শিক্ষার্থীদের জীবনের কথা ভেবেই এই পদ্ধতিতে ফল দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে তিক্ত বা বিরূপ মন্তব্য করা থেকে সমালোচনাকারীদের বিরত থাকতে অনুরোধ করেন তিনি।

এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের ১৩ লাখ ৬৫ হাজার শিক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল। গত বছরের ১ এপ্রিল পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনাভাইরাসের প্রকোপ বাড়তে শুরু করায় ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে সরকার পরীক্ষা ছাড়াই মূল্যায়নের মাধ্যমে এইচএসসি ও সমমান শ্রেণির ফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

READ  শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি ঈদের পর পর্যন্ত বাড়তে পারে: শিক্ষামন্ত্রী

এক্ষেত্রে জেএসসির ফল থেকে ২৫ শতাংশ এবং এসএসসির ফল থেকে ৭৫ শতাংশ নিয়ে গড় করে এইচএসসির ফল নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছরে ফেল করা শিক্ষার্থীরাও এবার পরীক্ষার্থী ছিল। তাদেরও পাস করিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই হিসাবে এবার শতভাগ পরীক্ষার্থীই পাশের মুখ দেখছে।

admin

Read Previous

জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ লাখ ৬১ হাজার ৮০৭ পরীক্ষার্থী

Read Next

১০৪ কোটিতে বিক্রি ‘কেজিএফ-টু’র হিন্দি স্বত্ব

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *