• সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১

মোস্তাফিজের কাটারের পর মেহেদীর চমক, ৩ উইকেট নেই নিউজিল্যান্ডের

ক্রাইস্টচার্চের হ্যাগলি ওভালে আগে ব্যাটিং করে স্কোরবোর্ড ২৭১ রান তুলেছে বাংলাদেশ। কিন্তু বোলারদের লড়াইয়ের জন্য সেই রান যথেষ্ট হবে কিনা, প্রশ্ন এখন সেটিই। তবে লড়াইয়ের রসদ তো পেয়েছেন তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমানরা!

বাঁ হাতি পেসার মোস্তাফিজ মার্টিন গাপটিলকে ফিরিয়ে লড়াইয়ের প্রেরণাটা বাড়িয়ে দিয়েছেন দলের। সেই প্রেরণা থেকেই কিনা একটু পর নিজের টানা দুই ওভারে হেনরি নিকোলস আর উইল ইয়ংকে আউট করে নিউজিল্যান্ডকে বেশ খানিকটা বিপদেই ফেলে দিয়েছেন অফ স্পিনার শেখ মেহেদী হাসান।

নিউজিল্যান্ড ২৭১ রানের জবাবটা দিতে শুরু করেছিল ভালোই। ক্রাইস্টচার্চের উইকেট অনেকটাই যে ব্যাটিং-বান্ধব, সেটা বোঝা গেছে বাংলাদেশের ইনিংসের সময়ই। সেই ব্যাটিং-বান্ধব উইকেটে যখন গাপটিলকে নিয়ে দুশ্চিন্তার ভাঁজ বাড়ছে অধিনায়ক তামিমের কপালে, ঠিক তখনই মোস্তাফিজ তাঁর সেই বিখ্যাত অস্ত্রটা ব্যবহার করলেন—‘কাটার’। ‘কাটার মাস্টার’ উপাধি পেয়ে গিয়েছিলেন সেই অভিষেকের পরপরই। আজ গাপটিলকে তিনি ফিরিয়েছেন ‘কাটার’ দিয়েই। পঞ্চম ওভারের শেষ (মোস্তাফিজের তৃতীয় ওভারের শেষ বলে) বলে মোস্তাফিজের কাটার

বুঝতে না পেরে হাওয়ায় বল তুলে দেন কিউই ব্যাটিং তারকা। বল এতই উঁচুতে উঠেছিল যে ক্যাচ ধরতে আর কাউকে এগিয়ে আসতে হয়নি। নিজের বলে নিজেই ক্যাচটি ধরেছেন মোস্তাফিজ।

গাপটিল-ধাক্কার পর ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছিল নিউজিল্যান্ড। নিকোলস আর ডেভন কনওয়ে একটা জুটি গড়ার চেষ্টা করছিলেন। ঠিক তখনই আঘাত অফ স্পিনার মেহেদীর। আগের বলটিতেই পরাস্ত হয়েছিলেন নিকোলস। সেই ভীতিতেই কিনা মেহেদীর পরের বলটি চোখেই দেখলেন না। মিডল আর অফ স্টাম্পের ওপর পড়া বলটিতে ড্রাইভ খেলতে চেয়েছিলেন নিকোলস। বল তাঁকে ফাঁকি দিয়ে ভেঙে দেয় তাঁর উইকেট।

মেহেদীকে খেলতে অস্বস্তি হয়েছে নিকোলসের। তবে তাঁর বলে এক বাজে শট খেলেই আউট হয়েছেন নিকোলস। অফ ব্রেকে স্কুপ করার খেসারত দিয়েছেন উইল। তিনিও বোল্ড। এ প্রতিবেদন লেখার সময় নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ৫৩। কনওয়ে অপরাজিত আছেন ১৯ রান করে। উইলের বিদায়ের পর উইকেটে এসেছেন টম ল্যাথাম।

READ  অকল্যান্ডে বৃষ্টি, অনিশ্চয়তায় বাংলাদেশের ম্যাচ

Pial

Read Previous

চোখ রাঙাচ্ছে খাদ্য মূল্যস্ফীতি

Read Next

ব্যাংকিং পেশায় ভালো করার বড় সুযোগ পেতে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *