• জুন ১৫, ২০২১

হোয়াইটওয়াশ হল টাইগাররা

দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টাইগারদের দুর্দান্ত নৈপুণ্যে দেখিয়েছিল তার ছিটেফোঁটাও আজ ওয়েলিংটনে ছিল না। হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়াতে আজ টাইগারদের সামনে জয়ের বিকল্প ছিল না। জয় তো দূরের কথা কিউই বোলারদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে সামনে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি টাইগার ব্যাটসম্যানরা। ওয়ানডে ম্যাচে টেস্ট মেজাজে খেললে যা হয় তাই হয়েছে। ১৬৪ রানের বিশাল ব্যবধানে হেরেছে টাইগাররা।

প্রথম ম্যাচে ৮ উইকেটে, দ্বিতীয় ম্যাচে ৫ উইকেট এবং আজ শেষ ম্যাচে ১৬৪ রানে হারার ফলে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে টাইগাররা। নিউজিল্যান্ডের ৩১৮ রানের জবাবে খেলতে নেমে টাইগাররা ৪২. ৪ ওভারে সবকয়টি উইকেট হারিয়ে ১৫৪ রান তুলতে সক্ষম হয়। শেষ ম্যাচে বিশাল ব্যবধানে হারলেও মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের অপরাজিত ৭৬ রানের ইনিংস ছিল উল্লেখ করার মতো। মোহাম্মদ মিঠুন ৩৯ বল মোকাবেলা করে মাত্র ৬ রান করে আউট হন। টেস্ট মেজাজে প্রমাণ এর চেয়ে ভাল আর কি হতে পারে। আজকের ম্যাচে টাইগারদের মধ্যে পরিকল্পনার অভাব ছিল। বোলার এবং ব্যাটসম্যানদের মধ্যে দায়িত্বশীলতার অভাব লক্ষ্য করা গেছে।

ওয়েলিংটনে আজ ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় নিউজিল্যান্ড। টাইগারদের বেধড়ক পিটিয়ে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ৩১৮ রান সংগ্রহ করে। ৬ উইকেটে হারালে ও নিউজিল্যান্ড দুই ব্যাটসম্যান ডেভর কনওয়ে ১২৬ রান এবং ড্যারেল মিচেল ১০০ রানের চমৎকার দুটি শতক হাঁকিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন। টাইগার বোলারদের মধ্যে রুবেল হোসেন ১০ ওভার বল করে ৭০ রান দিয়ে ৩ উইকেট তুলে নেন। কিউইদের অপর ৩ উইকেট তুলে নেন সৌম্য সরকার ,তাসকিন আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমান। নিউজিল্যান্ডের ৩১৮ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে উইকেট বিসর্জনের মিছিলে নেমেছিলেন টাইগার ব্যাটসম্যানরা। আজ নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার এবং মোহাম্মদ মিঠুন। তামিম ৯ বলে এক রান সৌম্য সরকার ৬ বলে এক রান এবং মোহাম্মদ মিঠুন ৩৯ বল মোকাবেলা করে মাত্র ৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন। ওপেনার লিটন দাস ২১ বল থেকে ২১ রান করেন আউট হন।

READ  বাবরের গোপন অভিসারে পাকিস্তানে তোলপাড়

পঞ্চম উইকেটে বাংলাদেশের ইনিংসে হাল ধরা চেষ্টা করেন মুশফিক এবং মাহমুদুল্লাহ। মুশফিকুর রহিমকে ভালোই সঙ্গ দিচ্ছিলেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। কিন্তু ব্যক্তিগত ২১ রান করে মুশফিকুর রহিম সাজঘরে ফিরে গেলে মেহেদী হাসান মিরাজকে সঙ্গে নিয়ে পার্টনারশিপ গড়ার চেষ্টা করন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। ২ বল মোকাবেলা করে মেহেদী হাসান মিরাজ রানের খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফিরে গেলে ফের চাপে পড়ে টাইগাররা। ব্যাটসম্যানদের আসা-যাওয়া মিছিলের মধ্যে ব্যতিক্রম ছিলেন অভিজ্ঞ মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। মহমুদুল্লাহ রিয়াদ ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ১৯৪

তম ম্যাচে ওয়েলিংটনে ২৩তম হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন। ৬৪ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। নিউজিল্যান্ডের বোলারদের মধ্যে জিমি নিশাম এবং ম্যাট হেনরি ছিলেন সফল। এই দুই কিউই বোলার তুলে নিয়েছেন ৯ উইকেট। জিমি নিশাম ৭.২ ওভারে ২৭ রান দিয়ে ৫ উইকেট তুলে নেন। দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করার সুবাদে ডেভন কন ওয়ে ম্যাচ সেরা পুরস্কার জিতে নিয়েছেন। সিরিজ সেরাও হয়েছেন তিনি। মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ৭৩ বলে অপরাজিত ৭৬ রানের ইনিংস খেলার পথে ৬টি ৪ এবং ৪ট ছক্কা হাঁকান।।

Pial

Read Previous

অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞার হুমকি ইইউর

Read Next

ইনসাফের স্বপ্ন ও স্বাধীনতাসংগ্রাম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *