• জুন ১৬, ২০২১

১৬৭ ওমরাহ হজ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ

১৬৭টি অনুমোদিত ওমরাহ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। অনুমোদিত ওমরাহ এজেন্সিকে শর্তসাপেক্ষে ওমরাহ যাত্রীদেরকে সৌদি আরব পাঠানোর জন্য অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

গত সোমবার (১৬ নভেম্বর) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব (ওমরাহ) স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানা গেছে। শর্তসমূহ হলো-

জাতীয় হজ ও ওমরাহ অনুচ্ছেদ ২২.২১, ২২২ ২২.২২ অনুযায়ী যথাসময়ে ওমরাহ যাত্রী প্রেরণ, তাদেরকে যথাযথ সেবা প্রদান এবং যথাসময়ে দেশে ফেরত আনতে হবে। ১৫ শাওয়াল ১৪৪৩ হিজরি এর মধ্যে প্রেরিত ওমরাহ যাত্রী সৌদি আরবে গমন এবং বাংলাদেশে ফেরত আসার বিস্তারিত প্রতিবেদন পরিচালক, হজ অফিস, ঢাকা বরাবর দাখিল করতে হবে।

অন্যথায় সংশ্লিষ্ট ওমরাহ এজেন্সি পরবর্তী বছরের জন্য বৈধ তালিকায় অন্তর্ভুক্তির অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে এবং জাতীয় হজ ও ওমরাহ নীতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুন : ইয়েমেনে হামলার জন্য চাইলেই অস্ত্র পাবে সৌদি!

জাতীয় হজ ও ওমরাহ নীতি, ২০১৯ এর অনুচ্ছেদ নং ২২.২.৩ অনুযায়ী অনুমোদিত বৈধ এজেন্সি সরকার অনুমোদিত নির্ধারিত কোটার অতিরিক্ত ওমরাহ যাত্রী প্রেরণ করতে পারবে না; অন্যথায় সংশ্লিষ্ট ওমরাহ এজেন্সি পরবর্তী বছরের জন্য বৈধ তালিকায় অন্তর্ভুক্তির অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে এবং জাতীয় হজ ও ওমরাহ নীতি, ২০১৯ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জাতীয় হজ ও ওমরাহ নীতি, ২০১৯ এর অনুচ্ছেদ নং ২২.২.৪ অনুযায়ী কোনো ওমরাহ যাত্রী যথাসময়ে দেশে ফেরত না এলে সংশ্লিষ্ট ওমরাহ যাত্রীর দেশে ফেরার নির্ধারিত তারিখের ১ মাসের মধ্যেই নাম, ঠিকানা, পাসপোর্ট নম্বর ফেরত না আসার বিস্তারিত কারণ ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, পরিচালক, হজ অফিস, ঢাকা এবং কাউন্সেলর (হজ), বাংলাদেশ হজ অফিস, জেদ্দা বরাবর দাখিল করতে হবে।

অন্যথায় সংশ্লিষ্ট ওমরাহ এজেন্সি পরবর্তী বছরের জন্য বৈধ তালিকায় অন্তর্ভুক্তির অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে এবং জাতীয় হজ ও ওমরাহ নীতি, ২০১৯ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা জাতীয় হজ ও ওমরাহ নীতি, ২০১৯ এর অনুচ্ছেদ নং ২২.২.৫ অনুযায়ী ওমরাহযাত্রীদের জন্য সৌদি আরবে ব্যয়িত সকল প্রকার অর্থ এজেন্সির নিজস্ব ব্যাংক হিসাব হতে আইবিএন এর মাধ্যমে প্রেরণ করতে হবে এবং আইবিএন একাউন্ট নম্বর ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে অবশ্যই অবহিত করতে হবে।

READ  প্রতিবেশীর অধিকার রক্ষার উপকারিতা

অন্যথায় কোনো ওমরাহ এজেন্সিকে পরবর্তী বছরে ওমরাহ কার্যক্রমের জন্য অনুমতি দেওয়া হবে না; ওমরাহ এজেন্সি কর্তৃক ওমরাহ প্রসেসিং ফি ও প্রদেয় সকল সেবার নির্ধারিত ব্যয় উল্লেখপূর্বক বিভিন্ন ক্যাটাগরির ওমরাহ প্যাকেজ ঘোষণা করবে এবং এর কপি ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও হজ অফিস, ঢাকায় প্রেরণ নিশ্চিত করবে।

আরও পড়ুন : আজারবাইজানকে নিরাপত্তা দিতে সেনাবাহিনী পাঠাচ্ছেন এরদোগান

প্যাকেজ ঘোষণা না করলে ওমরাহ এজেন্সিকে ওমরাহযাত্রী প্রেরণের অনুমতি প্রদান করা হবে না। ওমরাহ লাইসেন্স নবায়নের (২০১৯-২০২০) অন্য লাইসেন্স নবায়নের সময় (২০১৯-২০২০) সালের নির্ধারিত এর অতিরিক্ত যাত্রী প্রেরণ করা হয় নাই এবং প্রেরিত সকল আমরা যাত্রী দেশে প্রত্যাবর্তন করেছেন এই মর্মে অঙ্গীকার নামা দাখিল করতে হবে।

admin

Read Previous

চীনের মূল লক্ষ্য মুসলিম বুদ্ধিজীবীদের গণহত্যা!

Read Next

জুমআর দিনের বিশেষ ইবাদত ও আমল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *