• জুন ১৬, ২০২১

ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনায় দুই মাদ্রাসা শিক্ষকের স্বীকারোক্তি

কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত দুই মাদ্রাসা শিক্ষক আল-আমিন ও ইউসুফ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। শনিবার (১২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় কুষ্টিয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারক দেলোয়ার হোসেনের এজলাসে ওই দুই শিক্ষক এ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

জবানবন্দিতে মাদ্রাসা শিক্ষক ইউসুফ আলী জানিয়েছেন, তিনি মাদ্রাসা ইবনে মাসউদ কুষ্টিয়াতে হেফজ বিভাগে শিক্ষকতা করেন। ওই বিভাগের ১৭ জন ছাত্র পড়াশোনা করে। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনায় অভিযুক্ত আবু বক্কর নাহিদ একই বিভাগের শিক্ষার্থী। ঘটনার দুই তিন দিন আগে ইউসুফসহ আবু বকর ও রাহিদ কুষ্টিয়ার মার্কেটে যান। তাদের মার্কেটে যাওয়া আসার পথে শহরের পাঁচ রাস্তার মোড়ে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যটি তাদের নজরে পড়ে।

এরপর গত শনিবার সকাল সাড়ে আটটায় বঙ্গবন্ধু ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনার সঙ্গে আবু বক্কর ও নাহিদের যুক্ত থাকার বিষয়টি জানতে পারেন তিনি। পরে তাদের মাদ্রাসা থেকে নিজ নিজ বাড়িতে যাওয়ার পরামর্শ দেন। পরবর্তী সময়ে পুলিশ ভাঙচুরের ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ তাদের দেখালে অভিযুক্ত দুজন কে চিনা সত্ত্বেও স্বীকার করেননি।

অপর শিক্ষক আলামিন একইভাবে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তবে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে উল্লেখ করেছেন, শিক্ষক আলামিনসহ ওই মাদ্রাসায় সবাই মোবাইল ব্যবহার করতেন। মোবাইলে তারা ওয়াজ শুনতেন। বিশেষ করে মামুনুল হক, হাফিজুর রহমান সিদ্দিকী, খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবীসহ অন্যদের ওয়াজ শুনতে ভালো লাগতো। এ মাদ্রাসা শিক্ষকও একইভাবে অভিযুক্ত দুই মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে মাদ্রাসা থেকে তাদের নিজ নিজ বাড়িতে সরে যেতে পরামর্শ দেন।পরবর্তী সময়ে সিসিটিভিতে ধারণ করা ফুটেজ নিয়ে পুলিশ তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করলেও তারা কোনো কিছু না বলে চুপ থাকেন।

READ  প্রাচীন ধর্ম ও সভ্যতায় সিয়াম সাধনা

admin

Read Previous

যেসব ক্ষেত্রে আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় করা হারাম

Read Next

পৃথিবীর মূল্য কত?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *